Responsive Ad Slot

Weather - Tutiempo.net
জাতীয় সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় সংবাদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ঝালকাঠি-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, তবুও স্থবির জেলা বিএনপি!

কোন মন্তব্য নেই

সোমবার, নভেম্বর ০৩, ২০২৫


ঝালকাঠি প্রতিনিধি: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-২ (সদর–নলছিটি) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সহসভাপতি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। দলের নিবেদিতপ্রাণ এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

তবে মনোনয়ন ঘোষণার পরও ঝালকাঠি জেলা বিএনপির অফিসে ছিল না কোনো আনুষ্ঠানিক আনন্দ বা উচ্ছ্বাসের পরিবেশ। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিগত দিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সমন্বয়ের অভাবের কারণে জেলা বিএনপির মধ্যে সাময়িক নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে দলের একাধিক ত্যাগী নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ইলেন ভুট্টো দলের নিবেদিতপ্রাণ নেত্রী। কিন্তু জেলা পর্যায়ে বিভাজন ও নেতৃত্ব সংকটের কারণে কর্মীদের মধ্যে ঐক্যের অভাব দেখা দিয়েছে। এখন সময় এসেছে ব্যক্তিগত মতভেদ ভুলে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।”

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব বলেন, “দীর্ঘদিন জনগণের পাশে থাকা একজন যোগ্য নেত্রীকে মনোনয়ন দিয়েছে দল। আমি মনে করি, দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত সঠিক। এই আসনটি রক্ষা করতে হলে ইলেন ভুট্টোর মতো নেত্রীরই প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেব।”

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন বলেন, “আমি বিএনপি করি, আমি সংগঠনের দায়িত্বে আছি—আমার কাজ হচ্ছে দলকে সুসংগঠিত করা। ইলেন ভুট্টো জনপ্রিয় নেত্রী, সাধারণ মানুষের মাঝে তার অবস্থান রয়েছে বলেই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তাকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী যেই হোক না কেন, দলের স্বার্থে আমরা সবাই তার সঙ্গে কাজ করব।”

বাংলাদেশ-ভারত ভার্চুয়াল বৈঠক দেখুন সরাসরি

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০


বাংলাদেশ-ভারত ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

দেখুন সরাসরি-


https://www.youtube.com/watch?v=BaZSmZVCVAQ

‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে বাংলাদেশ আগামীর নেতা হতে চলেছে’

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ডিসেম্বর ১১, ২০২০


বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে নেতৃত্বের আসনে বসতে চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২০- উপলক্ষে ‘এমব্রেসিং ডিজিটাল টেকনোলজিস ইন নিউ নরমাল’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সজীব ওয়াজেদ জয় মূল বক্তা ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আসছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে বাংলাদেশ আগামীর নেতা হতে চলেছে, এটা আমার বিশ্বাস। আমি আশা করি, বাংলাদেশ হবে এ শিল্প বিপ্লবের মূল নেতা। আমাদের সক্ষমতা আছে। আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা তা করতে পারি। আমরা এখন পরবর্তী অধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছি।’

‘শুধু অন্যের প্রযুক্তি গ্রহণ করা নয়, আমরা এখন প্রযুক্তির পরবর্তী প্রজন্মের নেতা হতে চাই। পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধন করতে চাই আমরা। আমি বিশ্বাস করি, এটা কোনো স্বপ্ন না, এটা সম্ভব। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কোন প্রযুক্তি আসছে, সেটা তো না জানলে চলছে না। কিন্তু আমি প্রতিজ্ঞা করছি, তার কিছু একটা বাংলাদেশ থেকেই আসবে’, বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার, ই কমার্স, অনলাইন সার্ভিস, মাইক্রোপ্রসেসর, সফটওয়্যার ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে নজর রাখছে বলেও জানান জয়। এ সময় তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য আমরা ফোকাস করছি গবেষণায়।’

পৌর নির্বাচন থেকে ৫৮ প্রার্থীর নাম প্রত্যাহার

কোন মন্তব্য নেই


প্রথম ধাপের পৌরসভা নির্বাচন থেকে সাতজন মেয়র প্রার্থীসহ নাম প্রত্যাহার করেছেন মোট ৫৮ জন প্রার্থী। এর ফলে প্রথম ধাপে ২৫টি পৌরসভায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রইলেন ১ হাজার ২১৮ জন প্রার্থী, যার মধ্যে মেয়র পদে ৯৩ জন, সাধারণ কাউন্সিলর ৮৪৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২৭৭ জন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ( ১০ ডিসেম্বর ) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরপরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার।

গত ২২ নভেম্বর ২৫টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন করে ইসি। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এসব পৌরসভায় আগামী ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

১৫ ডিসেম্বর স্কুলে ভর্তির অনলাইনে আবেদন শুরু

কোন মন্তব্য নেই


সরকারি স্কুলে মাধ্যমিক পর্যায়ের ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর। আবেদন গ্রহণ চলবে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে, সে দিন বিকেলে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।  

এ বিষেয়ে মাউশির উপপরিচালক এনামুল হক জানিয়েছেন, আগের মতো আর স্কুলে বড় আয়োজনের মাধ্যমে লটারি অনুষ্ঠিত হবে না।

‘একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে। টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় এটি পরিচালিত হবে। ঢাকার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভর্তি নীতিমালা অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

কোন মন্তব্য নেই

শনিবার, ডিসেম্বর ০৫, ২০২০

 

গণতন্ত্রের মানসপুত্র, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ। 

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সংলগ্ন মরহুম হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজারে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল, সেটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফল ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট এবং অবিস্মরণীয় বিজয়। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজে তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত হন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন। কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কও।

বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান।

ভাসানচরে নতুন করে বাঁচার আশা

কোন মন্তব্য নেই

 

শুধু প্রাণটুকু হাতে নিয়ে বেঁচে থাকবে বলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের ভয়ে অন্ধকার রাতে বাংলাদেশে প্রবেশ। চাইলে বাংলাদেশ সরকার সে সময় আটকাতে পারতো রোহিঙ্গাদের। কঠোর হতে পারতো সীমান্ত এলাকায়। কিন্তু না উদারতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেরই ১৬ কোটির বেশি মানুষ। তারপরও ২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে ১১ লাখ রোহিঙ্গার ভার বহন করছে বাংলাদেশ। তাদের থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থাসহ সবধরণের চাহিদা মেটানো শুধু কঠিনই নয় দুঃসাধ্যও বটে। বারবার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মহলে আবেদন করেও হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশে নেই বন্ধু রাষ্ট্র ভারত ও চীন। তারপরও রোহিঙ্গাদের বোঝা না ভেবে তাদের থাকার ব্যবস্থা করছে বাংলাদেশ।

নানা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে ২ বছর আগে তাদের একটি অংশকে হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরপর বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পর্যবেক্ষণ শেষে শুরু হয়েছে রোহিঙ্গা স্থানান্তর প্রক্রিয়া। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ হাজার একর আয়তনের চরটিতে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে সেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

শুক্রবার স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরুর পর প্রথম ধাপে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প থেকে বাসে ও জাহাজে করে দুই দিনের দীর্ঘ যাত্রা শেষে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গার একটি দলটি ভাসানচরে পৌঁছায়।

রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের শেষ নেই, তারা সংশয়ের কথাও জানাচ্ছে। তবে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় নতুন ঠিকানায় যেতে আগ্রহী। মিয়ানমারের মতো পোড়া লাশের গন্ধ নেই, সম্পদ হারানোর ভয় নেই, নিরাপত্তার অভাব নেই, তাই স্বস্তি তাদের চোখেমুখে।

কক্সবাজারের আশ্রয় ক্যাম্পে বাঁশ আর ছাউনির তৈরি ঘর, ঘিঞ্জি পরিবেশের চেয়ে ভাসানচরের নতুন ঠিকানা নতুন করে বাঁচতে শেখাচ্ছে তাদের। ক্যাম্পে থাকা ১১ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে এক লাখ মানুষকে অধিকতর নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনতে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার।

ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য রোহিঙ্গাদের দলটিকে বুধবার রাতে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প সংলগ্ন ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। উখিয়া ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো করা হয় কয়েক ডজন বাস। বৃহস্পতিবার সেসব বাসে করে মোট পাঁচটি কনভয়ে উখিয়া থেকে তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। বাসগুলোর সামনে ও পেছনে ছিল আইন-শৃংখলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর রাতে তাদের রাখা হয় বিএএফ জহুর ঘাঁটির বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের ট্রানজিট ক্যাম্পে। সেখান থেকে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তাদের বোট ক্লাব, আরআরবি জেটি ও কোস্ট গার্ডের জেটি থেকে নৌবাহিনী ছয়টি এবং সেনাবাহিনীর একটি জাহাজে তোলা হয় ভাসানচরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। 

এরআগে নোয়াখালীর হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ ভাসানচরকে মানুষের বসবাসের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করে বাংলাদেশ সরকার। এরপর বিদেশি পর্যবেক্ষকরা পরিদর্শনও করেন। এরআগে মালয়েশিয়া থেকে ফিরে আসা তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে আগেই ভাসানচরে নিয়ে রাখা হয়েছিল। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলকে দেখার জন্য ভাসান চরে পাঠানো হয়। তারা ফেরার পর তাদের কথা শুনে রোহিঙ্গাদের একাংশ ভাসান চরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করে বলে জানা যায়। শুক্রবার তাদের প্রথম দলটি সেখানে পৌঁছালো। 

রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটি দ্বীপে পৌঁছানোর পর প্রকল্প পরিচালক কমডোর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা এ প্রকল্প ঘুরে দেখে যেতে পারেন।  তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে দায়িত্ব নিয়ে এবং কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়া, সেটাই সমস্যার একমাত্র স্থায়ী সমাধান। বলেন, একইসঙ্গে আমরা বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিক চেষ্টাকে খাটো করা এবং ভুল ব্যাখ্যা না করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্ক হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্পে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে লক্ষাধিক রোহিঙ্গার থাকার জায়গা। প্রতিটি গুচ্ছগ্রামে রয়েছে ১২টি হাউজ। পাকা দেয়ালের ওপর টিনের শেডের প্রতিটি হাউজে রয়েছে ১৬টি করে কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে চারজনের একটি পরিবারের থাকার ব্যবস্থা। আপাতত ২২টি এনজিওর মাধ্যমে এই রোহিঙ্গাদের খাবার, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর কথা জানিয়েছে সরকারি কর্মকর্তারা। 

মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আ.লীগের ২২জন ও বিএনপি’র ৪জন

কোন মন্তব্য নেই

শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০২০


রাজশাহীর তানোরে দুটি পৌর সভায় আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ২২জন ও বিএনপি’র ৪জন। এর মধ্যে তানোর পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ১২জন, বিএনপি’র ২জন ও মুন্ডমালা পৌর সভায় আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ১০ ও বিএনপি’র ২জন।
তবে, মুন্ডমালা পৌরসভার বর্তমান মেয়র গোলাম রাব্বানী মেয়র পদে নির্বাচন না করার ঘোষনা দেয়ায় তিনি এবার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় নাম লিখাননি। ফলে, মুন্ডমালা পৌরসভায় মেয়র পদে আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন কে পাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে জলপনা ও কল্পনা।
অপর দিকে তানোর পৌর সভায় গত নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে পরাজিত হওয়া পৌর আ.লীগ সভাপতি ইমরুল হক এবারো দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় নাম লিখালেও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ ফারুক চৌধুরীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে দুরত্ব সৃষ্টি হওয়ায় তার মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে, তানোর পৌর সভায় মেয়র পদে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মিজানুর রহমান মিজান মনোনয়ন চুড়ান্ত হলেও তানোর উপজেলা ছাত্রদল সাবেক সভাপতি আবদুল মালেক মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় ঘোষনা করা হয়নি।
অপর দিকে মুন্ডমালা পৌরসভায় বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে মুন্ডমালা পৌর বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক ফিরোজ কবিরের নাম চুড়ান্ত করা হলেও মুন্ডমালা পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় সেটিও ঘোষনা করা হয়নি। তানোর পৌর ও মুন্ডমালা পৌর আ.লীগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৃথক পৃথক ভাবে বিশেষ বর্ধিত সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা প্রস্তুত করেন।
অপর দিকে মুন্ডমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র মরহুম শীষ মোহাম্মদ ও তানোর পৌর সাবেক মেয়র ইমরান আলী মোল্লার স্বরনে পৃথক পৃথক শোক সভায় বিএনপি’র প্রার্থী ঘোষনা করার মুহুর্তে তানোরে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন আবদুল মালেক ও মুন্ডমালায় মোজাম্মেল হক মনোনয়ন প্রত্যাশা করার প্রার্থী ঘোষনা করা হয়নি।

‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাঙালির অবিনাশী চেতনার মূর্ত প্রতীক’মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

কোন মন্তব্য নেই


শ. ম. রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বাঙালির অবিনাশী চেতনার মূর্ত প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার অনুপ্রেরণা। সব সৎ কর্মে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণার প্রতিচ্ছবি।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) সম্মেলন কক্ষে বিএলআরআইর দুই দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কের অপচেষ্টাকারীরা বাংলাদেশের স্বাধীন সত্তা নিয়ে বিতর্ক করছেন। কারণ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। এ বিষয় নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের অসৎ উদ্দেশ্য আছে। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে এ দেশের স্বাধীনতাকামী কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রতিহত করবে। আইনও তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের উদ্যোগ

কোন মন্তব্য নেই

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০৩, ২০২০


দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম। ফলে চাহিদার বড় একটি অংশই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। আর পেঁয়াজ আমদানি মূলত ভারতনির্ভর। ভারত রফতানি বন্ধ করে দিলে দেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে এক সভায় রোডম্যাপটি উপস্থাপন করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রোডম্যাপ অনুযায়ী এবার পেঁয়াজের ফলন ২ লাখ টন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হবে। পরের বছর (২০২১-২২) ৩ লাখ ২২ হাজার টন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এক লাখ টন পেঁয়াজ অতিরিক্ত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ঠিকঠাক হলে ৪ বছর পর এখনকার তুলনায় পেঁয়াজের উৎপাদন ১০ লাখ টন বেশি হবে। বর্তমানে হেক্টরপ্রতি পেঁয়াজের উৎপাদন ১০ লাখ টনের মতো। উচ্চ ফলনশীল বীজ পেলে হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ১৩ থেকে ১৪ লাখ টনে নিয়ে আসা সম্ভব। অন্যান্য দেশে তাই হচ্ছে। তাতে আবাদের জমি বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। সরকার সেদিকেই যাচ্ছে এবং বীজের ক্ষেত্রেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে পেঁয়াজ চাষের আওতায় জমির পরিমাণ ২ লাখ ৩৭ হাজার হেক্টর। ওসব জমিতে মোট ২৫ লাখ ৬৬ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। উৎপাদিত পেঁয়াজের মধ্যে রবি ৮১ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মুড়িকাটা ১৮ দশমিক ১৯ শতাংশ ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ০ দশমিক ১১ শতাংশ। হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ১০ দশমিক ৮২ টন। কিন্তু দেশে ২৫ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হলেও তার মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পেঁয়াজের উৎপাদন ১৯ লাখ টনের মধ্যে থাকে। অথচ বীজ ও অপচয় বাদে দেশে মোট চাহিদা ২৫ লাখ ৯৬ হাজার টন। আর ২৫ শতাংশ সংগ্রহোত্তর ক্ষতি বিবেচনায় উৎপাদন দরকার ৩৪ লাখ ৬১ হাজার টন। সে অনুযায়ী পেঁয়াজের ঘাটতি ৮ লাখ ৯৫ হাজার টন। প্রতি বছর মোটামুটি ১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। বিগত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি হয় ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৯২০ টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪০ টন এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি করা হয় ১০ লাখ ৯১ হাজার টন। গত অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১০ লাখ ৭ হাজার ২২০ টন। আমদানি করা পেঁয়াজের প্রায় পুরোটাই ভারত থেকে এসেছে। আর চীন, মিশর, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে সামান্য পরিমাণ এসেছে। বিগত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৯৫ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শতভাগ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শতভাগ পেঁয়াজ ভারত থেকে এসেছে।
সূত্র আরো জানায়, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) ২৫ লাখ ৯৬ হাজার টন নিট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৫ শতাংশ ক্ষতিসহ পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ লাখ ৬১ হাজার টন। উৎপাদনশীলতা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে ৬ লাখ ২৫ হাজার টন। আর ২ লাখ ৭০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করা হবে। পরের বছর (২০২০-২১) চাহিদা ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ২৫ হাজার টন। ক্ষতিসহ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬৮ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এভাবে চতুর্থ বছরে কোনো পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না। বরং পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত থাকবে। পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন কৌশল নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে উচ্চ ফলনশীল জাত এবং উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হবে। সেজন্য প্রচলিত জাতের তুলনায় হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বাড়ানো হবে। পেঁয়াজ চাষের এলাকা বাড়িয়ে বা ফসল প্রতিস্থাপন করে আবাদ সম্প্রসারণ করা হবে। ২০২০-২১ অর্থবছরে অনাবাদি এলাকা ও চরের জমি অন্তর্ভুক্ত করে সম্ভাব্য ১২ হাজার ১২ হেক্টর বর্ধিত জমি থেকে উৎপাদন বাড়ানো হবে। সেক্ষেত্রে সমন্বিত চাষাবাদ ও আন্তঃফসল চাষের উদ্যোগ নেয়া হবে। আখ ও ভুট্টার সঙ্গে শীতকালীন পেঁয়াজ এবং আদা, হলুদ, কচুমুখীর সঙ্গে চাষ করা হবে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ। পাশাপাশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানো হবে। দেশব্যাপী এক লাখ কৃষককে প্রতি এক শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ৩ টন বীজ বিতরণ করা হবে। কারণ উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে পেঁয়াজের উন্নত জাতের বিকল্প নেই। তবে বারি পেঁয়াজ-৪, বারি পেঁয়াজ-৫, বারি পেঁয়াজ-৬, লাল তীর কিং— এসব উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ সহজলভ্য নয়। এগুলো কৃষক পর্যায়ে নিয়ে যেতে কয়েক বছর সময় লাগবে।
এদিকে বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজে পেঁয়াজ সংরক্ষণের মাধ্যমে সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমিয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। বর্তমানে পেঁয়াজের যে সংরক্ষণ ব্যবস্থা তা সনাতন এবং মোটেও বিজ্ঞানসম্মত নয়। ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পেঁয়াজকে হয় ঘরের চিলেকোঠায়, না হয় মাটির মেঝেতে বিছিয়ে অথবা পাটের বস্তায় মার্চ থেকে নবেম্বর অর্থাৎ চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণের প্রাণান্তর চেষ্টা করা হয়। এমন অবস্থায় পেঁয়াজের জাত বা জিনোটাইপ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা উপযুক্ত না হওয়ায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। তাতে সংরক্ষণকালীন শরীরতাত্ত্বিক কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে ওজন কমে যায় (যেমন- আর্দ্রতা কমে পেঁয়াজ সংকুচিত হয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ, পচনে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং অসময়ে অঙ্কুরিত হয়ে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়)। বিশেষ করে জুন ও জুলাই মাসে যখন অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বিরাজ করে তখন পেঁয়াজ বেশি নষ্ট হয়। সেজন্য রোডম্যাপ অনুযায়ী বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজে পেঁয়াজ সংরক্ষণের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তাছাড়া ক্ষতি কমাতে কৃষকদের প্রশিক্ষণও দেয়া হবে।
অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আসাদুল্লাহ জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশ পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পেঁয়াজের যে ক্ষতি হয় তা কমিয়ে আনা হবে। রোডম্যাপের অংশ হিসেবে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনতে বিভিন্ন কৌশল নেয়া হবে। চাষিদের পেঁয়াজ সংরক্ষণের বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। দেশে হাইটেক পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা চালু করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম জানান, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেটি এখনো চূড়ান্ত করা যায়নি। তবে এ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সরকার চার বছরের মধ্যে পেঁয়াজের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চাচ্ছে।
Don't Miss
©dnn24live all rights reserved
design by khyrul islam