ধানসিঁড়ি: একটি পরিচ্ছন্ন শহর, নির্মল বাতাস আর শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধদের জন্য হবে একটি নিরাপদ, সবুজ ও মনোরম পরিবেশ—এমনই এক স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডা. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি বলেছেন, “ঝালকাঠি শহরকে
পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে চাই।
ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজে শিশু, বৃদ্ধসহ
সবার জন্য
একটি সুন্দর
ও মনোরম
পরিবেশে একটি
পার্ক তৈরি
করতে চাই।”
বরিশাল বিভাগে পাঁচ বছরে এক লাখ নারিকেল চারা রোপণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার
(১৭ সেপ্টেম্বর) ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজ এলাকায় ২০০টি নারিকেল চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, “আমরা ঝালকাঠিকে একটি
পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে
চাই। এ কারণেই ‘ঝালকাঠি পরিচ্ছন্ন
আন্দোলন’ ঘোষণা
করেছি।”
শুধু গাছ লাগানো নয়, শহরের হারিয়ে যেতে বসা প্রকৃতিকেও ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, শহরের ভেতরে থাকা পরিত্যক্ত নালা-নর্দমা ও মজা পুকুরগুলো উদ্ধার করে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য—আজকের মানুষ এবং আগামী প্রজন্ম যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে।
তিনি বলেন, “আমরা চাই আমাদের সন্তানরা এমন একটি শহরে বেড়ে
উঠুক, যেখানে
নির্মল বাতাস
থাকবে, থাকবে
সবুজের ছায়া,
থাকবে স্বস্তি
ও সৌন্দর্য।
এই কাজ কোনো একক ব্যক্তি
বা সরকারের
পক্ষে করা সম্ভব নয়। সরকারকে
সহযোগিতা করতে
সব রাজনৈতিক
দলের মানুষ,
হিন্দু-মুসলমানসহ
সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একসঙ্গে
কাজ করতে
হবে।”
একটি পরিচ্ছন্ন শহরের পরিচয়কে ঝালকাঠির মানুষের গর্বে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি শহর গড়ে তুলতে হবে, যার বাসিন্দারা গর্ব করে বলতে পারবেন—“আমরা একটি
পরিচ্ছন্ন শহরের
বাসিন্দা।”
কর্মসূচিতে নারিকেল চারা রোপণের পাশাপাশি ধানসিঁড়ি ইকো ভিলেজের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার। সবুজে ঘেরা এ স্থানকে ভবিষ্যতে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং ঝালকাঠি পৌরসভার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদত হোসেন, পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়নাসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
ধানসিঁড়ির মাটিতে রোপণ করা ২০০টি নারিকেল চারা হয়তো আজ ছোট্ট। কিন্তু প্রতিটি চারার সঙ্গে যেন রোপিত হলো একটি স্বপ্ন—সবুজ ঝালকাঠি, নির্মল
বাতাস, আর আগামী প্রজন্মের জন্য
একটি সুন্দর
শহর রেখে
যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয়রা। এটি সর্ট করে আবেগী ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের
গল্প এমন করে সাজিয়ে ভিন্ন পাঠকদের হৃদয় টাচ করে এমন করে চাই
