মামলার বিবরনে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনু: সাড়ে ৯টায় শহরের পালবাড়ী রোডে বাদী মৃত. মোসলেম উদ্দীনের পুত্র রাশেদুল ইসলাম মিলনের বাসভবনে প্রবেশ করে আসামীরা তাকে খুজতে থাকে। তাকে না পেয়ে আসামীরা ঘরে থাকা তার শিশুপুত্র নাজিব শেহজাদ (৬) কে মারধর করে ও আছাড় দিয়ে পাজরের হাড় ভেঙ্গে ফেলে। হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে শেহজাদকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে মেরুদন্ডে আঘাত করলে সে গুরুত্বর আহত করে। শিশু সন্তানের ডাক-চিৎকারে তাকে বাঁচাতে বাদী মিলন ছুটে আসলে আসামীরা তাকেও বেধরক মারধর করতে শুরু করলে তাদের ডাক চিৎকারে এগিয়ে আসলে স্থানীয় লতিফ তালুকদারের পুত্র মেহেদী হাসানকেও মারধর করা হয়। এরপর সকল আসামীরা বাদীর ঘর ও ঘরের পার্শবর্তী মোয়াজ্জেম হোসেন স্মৃতি পাঠগার নামে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পিতার নামে পরিচালিত ক্লাবের মধ্যে প্রবেশ করে সকল আসবাবপত্র ভেঙ্গে তছনছ করে।
মামলায় কাউন্সিলর মেয়র হুমায়ূন কবির খানের পুত্র আরিফ (২৫), আবিদ (২০), ভাই শাহ আলম খান ফারসু, রুবেল খান, সবুজ খান ও তার ছেলে শাকিব খান, রিয়াজ হোসেন ও তার ছেলে রাসেল, লিয়ন, নিজাম, সবুর, জুবায়ের, কালাম, মেরী বেগমসহ ৫/৭জনকে আসামী করা হয়েছে।
এ
ব্যাপারে গ্রেপ্তারকৃত সাবেক কাউন্সিলর শাহআলম খান ফারসুর পরিবার
জানায়, গত ১২ আগষ্ট
৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল শরীফের ভাইদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ফাসুর
বড়ভাই ২নং প্যানেল মেয়র
কাউন্সিলর হুমায়ূন কবির খানকে হত্যার
উদ্দেশ্যে ধাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে একটি
হাত কেটে ফেলে দেয়।
সেই ঘটনার এজাহারভূক্ত (১৪ নাম্বার) আসামী
মিলন অভিযোগ থেকে বাঁচতে এখোন
তার শিশুপুত্র নাজিব কে ভিকটিম সাজিয়ে
ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এ মামলা
দায়ের করেছে। এর ২/১দিন
আগে কাউন্সিলর হুমায়ূন হত্যা চেষ্টার মামলায় আসামীরা উচ্চ আদালত থেকে
জামিন লাভ করে এলাকায়
ফিরেই এ সাজানো মামলার
আশ্রয় নিয়েছে বলে তার অভিযোগ
করেন।
এ
ব্যাপারে ঝালকাঠি থানার ওসি খলিলুর রহমান
সাংবাদিকদের জানান, শহরের পালবাড়ী সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার
অপর আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
