আগের
বলে মোরেয়াকে চার মেরে পরের
বলে আকাশে তুলে দিলেন আফিফ।
মিড উইকেটে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক
ক্যাচ নিলেন রাভু। ১৪ বলে ২১
রান করে ফিরে গেলেন
আফিফ। ৭ জন ব্যাটারই
ফিরলেন ক্যাচ দিয়ে। শেষ ওভারে সোপারকে
টানা ৬,৬,৪
হাঁকালেন সাইফউদ্দিন। শেষ দিকে সাইফউদ্দিনের ৬ বলে ১৯
রানের ঝড়ে পরের ১০
ওভারে ১১০ রান তুলল
বাংলাদেশ। পাপুয়া নিউগিনিকে ১৮২ রানের লক্ষ্য
দিল বাংলাদেশ।
আগের
বলে মোরেয়াকে চার মেরে পরের বলে আকাশে তুলে দিলেন আফিফ। মিড উইকেটে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত
এক ক্যাচ নিলেন রাভু। ১৪ বলে ২১ রান করে ফিরে গেলেন আফিফ। ৭ জন ব্যাটারই ফিরলেন ক্যাচ
দিয়ে। শেষ ওভারে শেষ দুই বলে ছক্কা হাঁকালেন
রাভুর কোমর উচ্চতার বল সোপার ক্যাচ নিলেন বাউন্ডারিতে। তবে বলের উচ্চতা বিবেচনায় থার্ড আম্পায়ার প্রথমে দিলেন নট আউট। জ্যায়ান্ট স্ক্রিনে পরের মূহুর্তেই দেখাল আউট। নাটকীয় এক সিদ্ধান্তের পর ২৮ বলে ৫০ করে ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ।
৫টা ২৮
মিনিট,
২১
অক্টোবর
মাহমুদউল্লাহর ফিফটি
১৭তম
ওভারে সোপারকে ৭৭ মিটারের এক
ছক্কা হাঁকালেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ দিকে দ্রুত
তোলার এই দায়িত্বটা উইকেটে
থিতু হওয়া মাহমুদউল্লাহকেই নিতে
হবে। ফ্রি হিট ব্যাটেই
লাগাতে না পারলেও ওভারের
পঞ্চম বলে আবারও সোপারকে
গ্যালারাতি আছড়ে ফেলেন। ওভারের
শেষ বলে চার মেরে
ফিফটি পূর্ণ করলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
বাংলাদেশ
১৪২/৪, ১৭ ওভার।
আগের
বলেই ভালাকে এক্সট্রা কাভারের উপর দিয়ে এক হাতে ছয় হাঁকালেন সাকিব। পরের বলটা ভালা
দিয়েছেন স্টাম্পের সামান্য বাইরে। এবারও টেনে মারতে গেলেন । তবে ব্যাটে বলে ভালো সংযোগ
হলো না।লং অনে ধরা পড়লেন চার্লস আমিনির হাতে। ৩৭ বলে ৪৬ রান করা সাকিব রান তোলার গতি
বাড়াতে গিয়েই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন।
৪টা ৫৮ মিনিট, ২১ অক্টোবর
আজও ব্যর্থ মুশফিক
ব্যাটিং
অর্ডারে আজ চারে নেমেও ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন মুশফিক। সাইমন আতাইয়ের বলে
ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ৮ বলে ৫ রান করে।আতাইয়ের এই ওভার থেকে এসেছে ৬ রান।
১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ৭৭ রান।
৪টা ৫১ মিনিট, ২১ অক্টোবর
যেখানে পিছিয়ে বাংলাদেশ
ক্যাচ
নেওয়ার শতকরা হিসেবে পাপুয়া নিউগিনির চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ । ১৭টি ক্যাচের ১২টি তালুবন্দী
করতে পেরেছে বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। সফলতার হার ৭১%। অন্যদিকে ১২ ক্যাচের ৯টি তালুবন্দী
করেছে পাপুয়া নিউগিনি । সফলতার হার ৭৫%। সাকিব উইকেটে থিতু হয়েছেন। ২৮ বলে ৩৪ করে উইকেটে
আছেন। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ৭০।
৪টা ৪৩ মিনিট, ২১ অক্টোবর
লিটনের আত্মাহুতি
ভালার
স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল টেনে এনে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে লিটন যে উইকেট উপহার দিয়ে
আসলেন। ডি মিড উইকেটে কোনো ভুল করলেন না বাউ।
দক্ষতার সঙ্গে বল তালুদন্দী করলেন।লিটন ফিরে গেলেন ২৩ বলে ২৯ করে। ৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের
রান ২ উইকেটে ৫৪। ওমানের বিপক্ষে ৮ নম্বরে নামা মুশফিক আজ উইকেটে আসলেন ৪ নম্বরে।
৪টা ৩৩ মিনিট, ২১ অক্টোবর
রিভিউ কাজে দিল না
রিভিউ
নষ্ট করল পাপুয়া নিউগিনি। বাউয়ের বল লিটন সুইপ করতে গিয়ে মিস করলে প্যাডে আঘাত করে।
আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয় তারা। তবে বল বাইরে পিচ করায় রিভিউ নিয়েও
লাভ হলো না পাপুয়া নিউগিনির।পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৪৫।বিশ্বকাপের আগের
দুই ম্যাচের চেয়ে এই ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে ভালো করেছে মাহমুদউল্লাহর দল।
৪টা ১৮ মিনিট, ২১ অক্টোবর
১৬ রানের ওভার
আগের
দিন এক উইকেট পড়ার পর নেমেছিলেন মেহেদী হাসান। আজ তিন নম্বরে উইকেটে আসলেন সাকিব।প্রথম
৩ ওভারে ৩ বোলার ব্যবহার করলেন আসাদ ভালা। ইনিংসের ১৭তম বলে ছক্কা হাঁকালেন লিটন।স্যাড
সোয়াপকে স্লগ সুইপ করে সীমানা ছাড়া করলেন। পরের ওভারে রাভুকে প্রথম বলেই ছক্কা মেরে আমন্ত্রণ জানালেন
সাকিব। এই ওভার থেকে এসেছে ১৬ রান। ৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৩১।
৪টা ৬ মিনিট, ২১ অক্টোবর
ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ফিরলেন
নাঈম
কাবুয়া
মোরেয়ার ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই রানের খাতা খোলার আগেই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন নাঈম। লেগ স্টাম্পে
মোরেয়ার হাফ ভলি ফ্লিক করেছিলেন বাঁহাতি ওপেনার। তবে শটে খুব বেশি জোর না থাকায় ডিপ
স্কয়ার লেগে সেসে বাউয়ের হাতে ধরা পড়লেন। প্রথম ওভারে বাংলাদেশের রান ১ উইকেট ৩।
৩টা ৫৫ মিনিট, ২১ অক্টোবর
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
সুপার
টুয়েলভে ওঠার লড়াইয়ে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
বাংলাদেশ। ওমানের বিপক্ষে ম্যাচের একাদশ নিয়েই পাপুয়া নিউগিনি বিপক্ষে মাঠে নামছে মাহমুদউল্লাহ
রিয়াদের দল।
এর
আগে বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
তবে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে বড় ধাক্কাই দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। আজ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে
৩ রানে জিতলেই সুপার টুয়েলভের টিকিট পাবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ দল
মাহমুদউল্লাহ
রিয়াদ (অধিনায়ক), লিটন দাস, মোহাম্মদ নাঈম, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন,
নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন
আহমেদ।