খানা-খন্দে ভরা ঝালকাঠি-মানপাশা -গগনহাট সড়কে এখন জন দূর্ভোগ চরমে। বছর পার হয়ে গেলেও ভাঙ্গা রাস্তা সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। এ সড়কের পাশের গ্রামগুলো কৃষি সমৃদ্ধ হওয়ায় কৃষিপন্য পরিবহনে পোহাতে হয় ভোগান্তি। তবে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ বলাছেন, এই রাস্তা সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যেই প্রাক্কলন (স্টেমেট) পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠি শহর থেকে মানপাশা হয়ে বিনয়কাঠি ইউনিয়নসহ জেলার উত্তরাঞ্চলে যাবার গুরুত্বপূর্ন সড়কটি এখন খানা খন্দে ভরা। ১৩.৭ কিলোমিটারের এ সড়কটির অফিসিয়াল নাম ঝালকাঠি-গগনহাট সড়ক। এ সড়কে থেকে বরিশালও যাওয়া যায়। কিন্তু এই সড়কের মানপাশা থেকে বিনয়কাঠি পযর্ন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক রীতিমত ঝুঁকিপূর্ন। সড়কের আশেপাশের কৃষি সমৃদ্ধ গ্রামগুলো থেকে বানিজ্যিকভাবে প্রতিদিন কৃষিপন্য শহরে সরবারহ করা হয় এ সড়ক থেকেই। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের পোহাতে হয় ভোগান্তি। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভাঙ্গা রাস্তা দিয়েই শহরে যাতায়াত করে। এছাড়া রোগীদের আরো সমস্যা হয় খানা খন্দ ও গর্তে ভরা সড়কটিতে। বিশেষ করে এ সড়ক থেকে সিজারিয়ান রোগীদের শহরে নেয়া যথেষ্ট ঝুকিপূর্ন বলে জানান স্থানীয়রা। এ সড়কে চলাচলরত অটো রিক্সা ও রাইডার চালকরা জানান, প্রায়ই তাদের গাড়ীর যন্ত্রাংশ রাস্তার ঝাঁকুনীতে বিকল হয়ে যায়। তাই এ এলাকার যাত্রী ও চালকরা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান। এলজিইডি সূত্র জানায় মূল সড়কটির ভাঙ্গা অংশ ৩.৬৬ কিলোমিটার মেরামতের জন্য ২ কোটি ৪০ টাকার ষ্টেমেট (প্রাক্কলন) পাঠানো হয়েছে। রক্ষানাবেক্ষন ইউনিটি পাঠানো এ প্রস্তাব অনুমোদিত হলেই এ সড়কে কাজ শুরু করা হবে।
ঝালকাঠি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সড়কটি সংস্কারে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে ষ্টেমেট (প্রাক্কলন) পাঠানো হয়েছে। সেটা অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।
