Responsive Ad Slot

Weather - Tutiempo.net

হাসিনার ছবি সরানো ছিল নৈতিকতার সিদ্ধান্ত: জাবি অধ্যাপক

কোন মন্তব্য নেই

বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

 

মাহ আলম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ২ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): জুলাই গণঅভ্যুত্থান যখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছিল, তখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আটক, নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে নিজ কার্যালয় থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলে ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শামীমা সুলতানা।

২০২৪ সালের ১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অধ্যাপক শামিমা সুলতানার অফিস কক্ষে বসা একটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায়, শামীমা সুলতানার চেয়ারের পেছনের দেয়ালে শেখ হাসিনার ছবি নেই।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, গ্রেফতার, গুলি, হত্যা ও নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় বিবেকতাড়িত হয়ে তিনি তার কার্যালয় থেকে শেখ হাসিনার ছবি অপসারণ করে ফেলেন। তার বিবেক বলেছিল, ‘এই ছবিটি আর তার কার্যালয়ে ঝুলিয়ে রাখার যোগ্যতা রাখে না’।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন, ‘এটি ছিল আমার নৈতিকবোধ থেকে ব্যক্তিগত প্রতিবাদের একটি বহিঃপ্রকাশ। আমি মনে করেছি, এই ছবিটি আর আমার অফিসের দেয়ালে ঝুলে থাকা উচিত নয়।’

তিনি জানান, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অবস্থান থেকেই তিনি এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আমার অংশগ্রহণ কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি ছাত্রজীবন থেকে আমি যে মূল্যবোধ ধারণ করে এসেছি, তারই ধারাবাহিকতা।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা উল্লেখ করেন, এর আগেও তিনি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলেন।

২০২৪ সালের ১৫ জুলাই রাতকে আন্দোলনের একটি অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই রাতে উপাচার্যের বাসভবনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তখনই তিনি অনুভব করেন, ‘আর নীরব থাকার কোনো সুযোগ নেই’।

এরপর তিনি অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে প্রতীকী প্রতিবাদে যোগ দেন এবং আন্দোলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পাশে রাজপথে ছিলেন।

অধ্যাপক শামীমা সুলতানা জানান, সংকটের মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য তিনি তার নিজস্ব কার্যালয় এবং বিভাগের সভাপতির কক্ষটি উন্মুক্ত রেখেছিলেন। একই সাথে আন্দোলনকারীরা যাতে দেশ-বিদেশে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন, সেজন্য অফিসের ওয়াই-ফাই ব্যবহারেরও সুযোগ করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী সময়ে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর খবর পরিস্থিতি সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলে দেয়।

শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে ফেলার বিষয়টি কোনো ‘আবেগপ্রবণ বা আকস্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না’ উল্লেখ করে জাবির এই অধ্যাপক বলেন, আমার মনে হয়েছিল- যে সরকার তার নাগরিকদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং উল্টো তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করেছে, সেই সরকার তার নৈতিক বৈধতা হারিয়েছে।

এর পরিণতি নিয়ে কোনো ভয় কাজ করেছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সুলতানা বলেন, তরুণদের জীবন বাজি রাখা এবং প্রাণ হারানোর দৃশ্য দেখার পর তার মধ্যে ভয়ের চেয়ে দায়িত্ববোধ বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পোর্ট্রেট সরিয়ে ফেলার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি দ্রুত দেশব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।

একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে অ্যধাপক সুলতানা বলেন, ঘটনার দিন বাড়ি ফেরার পর আমার ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল, ‘মা, আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত।’

তিনি উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্তের পর গালিগালাজ করে ফোনকল, হুমকি দিয়ে ম্যাসেজ, ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টাসহ তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল।

অধ্যাপক সুলতানা বলেন, ঘটনার দিনই আমার বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট আমাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যদিও আমি আনুষ্ঠানিকভাবে তা কখনো পাইনি।

তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে পরিবর্তন এলে নতুন উপাচার্য ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।

পুরো বিষয়টি নিয়ে অধ্যাপক সুলতানা বলেন, তিনি তার এই সিদ্ধান্তের জন্য কখনো অনুতপ্ত নন।

তিনি বলেন, আমি এটিকে কোনো ব্যক্তিগত অর্জন মনে করি না। এটি ছিল স্রেফ প্রতিবাদের একটি প্রতীকী রূপ। আর একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ব ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। সুত্র: বাসস

সন্তানের সাফল্যে মায়ের চোখে আনন্দাশ্রু, কৃতীদের সংবর্ধনা

কোন মন্তব্য নেই

 

মোঃ জাহিদ নথুল্লাবাদ:  একটি পুরস্কার, একটি সনদআর তাতেই মায়ের চোখে আনন্দের ঝিলিক। সন্তানের ছোট্ট সাফল্য যেন মুছে দেয় দিনের পর দিন করা সব পরিশ্রম। এমনই আবেগঘন পরিবেশে ঝালকাঠির চাচৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মা সমাবেশ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন-২০২৬-এর ফল ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বৃত্তিপ্রাপ্ত ছয় শিক্ষার্থী এবং জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী দুই শিক্ষার্থীকে সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়।

বৃত্তিপ্রাপ্ত মোঃ সাইমুন ইসলাম জিতুন, মদিনা জাহান, সৈয়দ তাসনীম জাহান, আশারা খাতুন, তাসনীম রহমান স্মৃতি রানী পুরস্কার গ্রহণ করে। প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ অর্জনকারী ভাবনা শিকদার এবং জাতীয় কুইজ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়া আব্দুর রহমানও পান সম্মাননা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার .কে.এম. আল মামুন। সভাপতিত্ব করেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তন্বী আক্তার।

প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেনশিক্ষার্থীদের এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। তাদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক অভিভাবকদের ভালোবাসা এবং পরিশ্রম রয়েছে।

পুরস্কার হাতে শিশুদের উচ্ছ্বসিত হাসি আর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মায়েদের গর্বিত মুখসেদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেন একটাই বার্তা ছড়িয়ে পড়েআজকের এই ছোট্ট অর্জনই হয়তো একদিন তাদের বড় স্বপ্নের প্রথম সিঁড়ি।


প্রতিটি উপজেলাকে গ্রিন, ক্লিন ও সেফ শহর গড়ার তাগিদ: প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর (এমপি)

কোন মন্তব্য নেই

ঝালকাঠি: শুধু উন্নয়ন নয়, প্রতিটি উপজেলাকে গ্রিন, ক্লিন সেফ শহর হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন গৃহায়ন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি সমন্বয় বিষয়ক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেনপ্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উপজেলাকে গ্রিন, ক্লিন সেফ শহর হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। এজন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট যারা দায়িত্বে আছেন, নিজ নিজ উপজেলাকে গ্রিন, ক্লিন সেফ করার জন্য সরকারের দেওয়া নির্দেশনাগুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে।


তিনি বলেন, একটি উপজেলাকে গতিশীল রাখতে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। তবে মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করেন, তাদের শুধু কাজ করলেই হবে নাকাজের ফলাফল বারেজাল্ট নিশ্চিত করতে হবে। এক মাসের কাজ আরেক মাসে ভুলে গেলে চলবে না।

তিনি আরও বলেননিজ নিজ দায়িত্বের জায়গা থেকে আমাদের সবারই রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড হতে হবে। উন্নয়ন, অপরাধ দমনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নতি ইমপ্রুভমেন্ট চাই। ব্যক্তি হিসেবে আমাদের আরও সিনসিয়ার, ডেডিকেটেড স্বচ্ছ হতে হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতির একটি সংস্কৃতি চালু করে দিয়ে গেছে। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একজন পিয়নও ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেনবর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি মনে করেন, আমি কী করেছিসেটা ভুলে যান। আমাদের পরিবর্তনে বিশ্বাসী হতে হবে। ঝালকাঠি-পিরোজপুরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতি করেছেন। তারা একা এই দুর্নীতি করতে পারেননি; এর সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদেরও সম্পৃক্ততা ছিল। কাজ না করেই হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেনঅনেক কষ্ট আন্দোলনের পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। এখন দেশকে দেওয়ার সময়, নেওয়ার সময় নয়। আমরা যে আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে দায়িত্ব পালন করছি, সেই জায়গা থেকে নিজেদের কালিমামুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, ঝালকাঠি বা বরিশাল বিভাগ নয়, সারা বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রমাণ করতে হবেসরকারি কর্মকর্তারা অতীতেও সৎ ছিলেন, এখনও সৎ আছেন। কিছু অসাধু মানুষের কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি মাদক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম গাফিলতি বন্ধ, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত এবং সরকারি অর্থ-সম্পদের অপচয় রোধের আহ্বান জানান।


জেলা প্রশাসক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঝালকাঠি পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ হুমায়ূন কবীর, স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, চার উপজেলার ইউওনোসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সুগন্ধা নদী দখল করে নির্মাণ করা ৪ দোকান উচ্ছেদ

কোন মন্তব্য নেই

সুগন্ধার তীরটা ছিল নদীর, অথচ সেখানে জায়গা করে নিয়েছিল অবৈধ দোকান। ঘাটে আসা মানুষের হাঁটার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছিল, অপেক্ষার জন্যও ছিল না স্বস্তির একটু জায়গা। দীর্ঘদিনের সেই ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে এবার নদীর তীর দখলমুক্ত করল নলছিটি পৌর কর্তৃপক্ষ। 

নলছিটি লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাট সংলগ্ন সুগন্ধা নদীর তীর দখল করে নির্মাণ করা চারটি অবৈধ দোকানঘর বুধবার সকালে উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নলছিটি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ। 

স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের পর দিন দখলের কারণে নদীর তীরের সৌন্দর্য হারানোর পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে লঞ্চ ও খেয়ায় ওঠানামা করা যাত্রীদের গাদাগাদি করে চলাচল করতে হয়েছে। দোকানঘরগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর নদীর তীরে আবারও দেখা মিলেছে খোলা জায়গার। 

স্থানীয়দের চোখে-মুখে এখন স্বস্তি—নদীর পাড় যেন অবশেষে নদীর কাছেই ফিরে এসেছে। পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দখলমুক্ত জায়গায় নির্মাণ করা হবে যাত্রী ছাউনি। সেখানে লঞ্চ ও খেয়াঘাটের যাত্রীরা নিরাপদে বসে অপেক্ষা করতে পারবেন। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, নদীর তীর কিংবা সরকারি জায়গা দখল করে কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু উচ্ছেদ নয়—দখলমুক্ত এই তীর যেন স্থায়ীভাবে মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সুগন্ধার পাড়ে আবার যেন নদীর হাওয়া বইতে পারে, আর ঘাটে আসা মানুষ একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে।

ঝালকাঠি: ছাত্রী হোস্টেলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সমাবেশ

কোন মন্তব্য নেই

মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬

 


ঝালকাঠি সরকারি কলেজে সাম্প্রতিক চুরির ঘটনা এবং ছাত্রী হোস্টেলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজে বারবার চুরির ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে গভীর রাতে ছাত্রী হোস্টেলে চুরির ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেখানেঅপরাধের বিচার চাই”, “বহিরাগতদের উৎপাত বন্ধ হোকএবংনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবেইত্যাদি স্লোগান লেখা ছিল।

শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজ ক্যাম্পাস হোস্টেলের নিরাপত্তা জোরদার, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।

বিষয়ে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Don't Miss
©dnn24live all rights reserved
design by khyrul islam