কাঁঠালিয়া উপজেলার ৫৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হলো দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার। এসব প্রতিষ্ঠানে আগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হতো। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার ছাড়াই পালন করতে হতো কমর্সুচি।
বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের নজরে এলে তিনি ওইসব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশ দেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহম্মেদুর রহমান বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে ২৭টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৭টি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।
পাশাপাশি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার গড়ে ওঠায় ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসসহ সকল দিবস পালন করা যাবে।
ড. সেকান্দার হায়াত খান কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউল হক জানান, স্থানীয় এমপি বজলুল হক হারুন স্যার শহীদ মিনার করে দেওয়ায় এখন থেকে দিবসগুলো পালনে আমাদের শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব হয়েছে।
কাঁঠালিয়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাদিম ইসলাম জানায়, পুরানো শহীদ মিনার নতুনাঙ্গীকে সেজেছে এবার মনভরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারবো। কেবল ভাষা দিবসই নয়, আমাদের এ শহীদ মিনার হবে চেতনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রধান স্থান। সর্বপরি কৃতজ্ঞতা আমাদের মাননীয় সংসদ সদ্স্য বজলুর রহমান (বিএইচ) হারুন স্যারে প্রতি।
আওরাবুনিয়া মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রী বলেন, স্থানীয় এমপি শহীদ মিনার নির্মান করে দেওয়ায় এখন থেকে দিবসগুলো পালনে আর কোনো বাধা রইল না।এর আগে জরাজীর্ণ ও ছোট শহীদ মিনারে শিক্ষার্থীদের একত্রে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে ভীষণ কষ্ট হতো মাননীয় এমপি'র নির্দেশে দৃষ্টিনন্দন শহিদ মিনার দৃশ্যমান।
