Responsive Ad Slot

Weather - Tutiempo.net

Latest

latest

টানা বড়শিতে ভর করে চলে সংসার

সোমবার, অক্টোবর ০৪, ২০২১

/ by DNN24LIVE

 


‘মৎস্য মারিব, খাইব সুখে- সুখী ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ প্রাচীন বাংলার লোকমুখে বহুল প্রচলিত প্রবাদ। বাঙালি ও মাছ তাই একে অন্যের পরিপূরক। মাছ নিয়ে বাঙালির মনের কোণে আছে তীব্র আবেগ ও ভালোবাসা। একজন বাঙালি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, মাছ তাকে কাছে টেনে নেবেই। তাই তো ‘মাছে-ভাতে বাঙালি যেন বাঙালি জীবনের ঐতিহ্য বহন করে। আর তাই মাছ শিকারও যেন বাঙালি জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী সংলগ্ন গুরুধাম খাল যেন ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীদের ভাসমান আশ্রয়স্থাল। মৎস্য শিকারের পর রাতে অবস্থান এই গুরুধাম খালে। ছোট ছোট ভাসমান নৌকায় জেলেদের অবস্থান শেষে ফের সকালে মাছ ধরার প্রস্তুতিকালে প্রথম আলোর ঝালকাঠি প্রতিনিধি তার ফেজবুক পেইজে একটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা ফুটে উঠে তাদের বড়শি দিয়ে মৎস্য আহরনের যাবার সকালের প্রস্তুতি। গ্রামাঞ্চলে ছোট নদী (খাল) জলাশয়ে নানা সরঞ্জাম দিয়ে বা সরঞ্জাম ছাড়া প্রায়ই মাছধরা একটি সুপরিচিত দৃশ্য। তবে এখানে অবস্থারত মৎস্যজীবীদের মাছধরার চিরায়ত প্রধান পদ্ধতিগুলো বড়শি দিয়ে মৎস্য আহরন। আর এই মৎস্য বিক্রিতেই চলে তাদের সংসার।

টানাবড়শি: স্বখের বশে স্বাদুপানিতে লম্বা সুতার টানাবড়শি এবং ছিপে বড়শির ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত মাছ ধরার দৃশ্য দেখামেলে, তবে এর ব্যতিক্রম গ্রামের ধানক্ষেতে খালে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার দৃশ্য। অনেকগুলো বড়শিসহ একটি দীর্ঘ সুতা ভাসিয়ে সুগন্ধা, বিশখালী ও ধানশিড়ি নদীর শাখ প্রশাখার ছোট ছোট খালে মৎস্য আহরন করে থাকেন তারা। একটি বাশের কৌন্চি (টুনি) ডগায় সুতা শক্তকরে বাধ দিয়ে শেষের দিকে একটি শোলা বা কাঠি আটকে দিতে হবে যাতে সুতাটাকে ভাসিয়ে রাখে। এর পর বরশিতে মাছের খাবার আটকিয়ে ছিপ ফেলে খালে। বড়শিতে মাছ খাবার খেতে আসলেই সংঙ্কেত দিতে থাকে বিশেষ ওই সোলা বা কাঠি এভাবেই মাছকে প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম টোপ দিয়ে আকৃষ্ট করা হয়।

Don't Miss
©dnn24live all rights reserved
design by khyrul islam